মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কমিউনিটি পুলিশ গণের দায়িত্ব ও কর্তব্য

কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রম : ১। অপরাধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা। সভা, সেমিনার, মত বিনিময়, র‌্যালী, লিফলেট, পোস্টার ও নানামুখী প্রচারনার মাধ্যমে অপরাধ বিরোধী জনমত ও গণসচেতনতা তৈরী করা যায়। ২। জন সম্মুখে বা প্রকাশ্যে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে তাৎক্ষনিকভাবে অপরাধীদের গ্রেফতার করে পুলিশে সোপর্দ করতে পারে। ৩। অপরাধ পরিস্থিতির নিয়মিত পর্যালোচনা করে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে কমিউনিট পুলিশিং কমিটির করনীয় সম্বন্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে এবং থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করতে পারে। ৪। ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি, গরু চুরি ইত্যাদি অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের পরার্শ ও জনগণের স্বত:স্ফূুর্ত অংশগ্রহনে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়। ৫। অপরাধীদের উপস্থিতি, গোপন আস্তানা এবং অপরাধীদের অপরাধ কার্যাবলী বা অপরাধ সংগঠনের প্রস্ত্ততি ইত্যাদি সম্পর্কে গোপনে পুলিশকে সংবাদ নিতে পারে। ৬। মাদক দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা ও অপব্যবহার রোধে মাদক বিরোধী প্রাচরনা এবং অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার কর্মসূচী নিতে পারে। ৭। চোরা চালান, খাদ্যে ভেজাল এবং দুর্নিতীর বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি ও প্রতিরোধমুলক কর্মসূচী নেয়া যায়। ৮। কিশোর অপরাধ, বখাটে ছেলেদের উৎপাত স্কুল ও কলেজগামী ছাত্রী ও যুবতী মেয়েদের রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করা বন্ধ করার জন্য বখাটেদের চিহ্ণিত করে তাদের অভিভাবক ও সমাজের বাস্তবসম্মত সমাধানের কর্মসূচী গ্রহন করা যায়। ৯। যৌন অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কর্মসূচী গ্রহন এবং এইডস অনিয়ন্ত্রিত যৌন মেলামেশা ও জনসংখ্যা বিস্ফোরনের বিরু&&দ্ধ গনসচেতনতা সৃষ্টির কর্মসূচী গ্রহন করতে পারে। ১০। ছোট খাট অধর্তব্য অপরাধ যেমন পারিবারিক বিরোধ দাম্পত্য কলহ, জমি জমা বা আর্থিক লেন দেন সংক্রান্ত অভিযোগ বিভিন্ন সম্প্রদায় গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে বিবাদ ইত্যাদি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আপোষ-মিমাংশা করার দায়িত্ব নেয়া যায় এবং মিমাংসার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করতে পারে। ১১। নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, শিশুশ্রম, নারী ও শিশু পাচারও নারীর প্রতি বৈষম্য, বাল্য বিবাহ বহু বিবাহ, যৌতুক ইত্যাদির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও সৃষ্টি ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার কর্মসূচী নেয়া যায়। ১২। ধর্মীয় গৌড়ামি বা অপব্যাখ্যা বিতর্কিত ফতোয়া হিল্লা বিবাহ ইত্যাদির বিরুদ্ধে ইসলামী শিক্ষায় পন্ডিত বাক্তিদের সহায়তায় জনমত সৃষ্টি করা যায়। ১৩। সমাজের কোন সমস্যা বা জনগণকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং জনগণের মধ্যে উৎকন্ঠা ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে সে সকল সমস্যার কারন চিহ্ণিত করে পুলিশ ও জনগণের অংশিদারীত্বের ভিত্তিতে সমাধানের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন। ১৪। সকল প্রকার সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করা যায়। ১৫। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দৈব দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এসে সাহায্য সহযোগীতা ও সেবা প্রদানের কর্মসূচী রাখা যায়। ১৬। মিথ্যা মামলা এবং নিরীহ লোককে হয়রানী করার ক্ষতিকর দিক সম্বন্ধে জনগণকে সচেতন করা ও তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া। ১৭। কোন দরিদ্র লোক মামলায় জড়িয়ে গেলে তাকে আইনি সহায়তা করা। ১৮। বিবিধ কর্মসূচী যা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি জনস্বার্থ বলে বিবেচনা করবে। ১৯। বৃদ্ধ ও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সমাজ ও আত্মীয়-স্বজনের কর্তব্য সম্বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি, উদ্বুদ্ধ করন এবং তাদের কল্যানার্থে কর্মসূচী গ্রহন। ২০। মামলার বাদী, স্বাক্ষী ও ভিকটিম বিশেষ আইনী সহায়তা ভীতি দূর করে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি এবং মনস্তাত্বিক সহায়তা দানের লক্ষ্যে প্রকল্প নেয়া যেতে পারে।


Share with :

Facebook Twitter